১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রাত ২:৩৬
১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রাত ২:৩৬

জাবেদ কোরেশীকে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

Share Option;


ইউরোভিশন ডেস্ক :আসন্ন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ। এর মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও সাবেক ছাত্রনেতা জাবেদ কোরেশী। এলাকার সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ তাকে আগামী নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
জনমতের প্রতিফলন
বিগত কয়েক দিন ধরে জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জাবেদ কোরেশী ছাত্রজীবন থেকেই সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। ক্লিন ইমেজ এবং জনবান্ধব নেতা হিসেবে তার একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ভোটারদের মতে:

  • তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ: জাবেদ কোরেশী তরুণদের আইকন হিসেবে পরিচিত। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ যুবসমাজ গড়তে ভূমিকা রাখবেন বলে তরুণরা বিশ্বাস করে।
  • উন্নয়ন ও সততা: দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে উপজেলার অবকাঠামো এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে তার মতো একজন শিক্ষিত ও সাহসী নেতার প্রয়োজন বলে মনে করেন মুরুব্বিরা।
  • বিপদে পাশে থাকা: করোনা মহামারি থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি—সব সময়ই জাবেদ কোরেশীকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে।
    জাবেদ কোরেশীর বক্তব্য
    এলাকাবাসীর এই আকাঙ্ক্ষা প্রসঙ্গে জাবেদ কোরেশী জানান, “আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে আজ অবধি মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জগন্নাথপুরের মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। এলাকাবাসী যদি চায় এবং আমার অভিভাবক ও নেতৃবৃন্দ সম্মতি দেন, তবে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেব। আমার লক্ষ্য পদের লোভ নয়, বরং জনগণের সেবা করা।”
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোয়ার
    ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও জাবেদ কোরেশীর সমর্থনে ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রবাসীদের একটি বড় অংশও তাকে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট করছেন। অনেকেই মনে করছেন, জগন্নাথপুরের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং একটি আধুনিক উপজেলা গড়তে জাবেদ কোরেশীর কোনো বিকল্প নেই।
    নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জাবেদ কোরেশীর এই জনসমর্থন ভোটের মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


Share Option;

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *