ইউরোভিশন ডেস্ক : সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর–শান্তিগঞ্জ) আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার এক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। হাওর, কৃষি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নানা চ্যালেঞ্জে ঘেরা এই অঞ্চলের মানুষ একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ, প্রজ্ঞাবান ও সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক এডভোকেট ইয়াসিন খান।
এডভোকেট ইয়াসিন খান একজন সুপরিচিত আইনজীবী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন। পেশাগত জীবনে তিনি সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আদালতের বাইরেও তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন—আইনি সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এলাকাবাসীর কাছে তাকে আস্থার জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের উন্নয়ন নিয়ে এডভোকেট ইয়াসিন খানের ভাবনা সুস্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক। শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, হাওরাঞ্চলের স্থায়ী বাঁধ ও টেকসই অবকাঠামো, কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন—এসব বিষয় তার অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে। তিনি বিশ্বাস করেন, উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন তা মানুষের প্রয়োজন ও অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।রাজনীতিতে এডভোকেট ইয়াসিন খানের আগমন কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং জনসেবার মহান ব্রত নিয়ে। তিনি রাজনীতিকে দেখেন সেবা ও দায়িত্ব হিসেবে, ক্ষমতার মাধ্যম হিসেবে নয়। তার স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং জনসংযোগ দক্ষতা এই আসনের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।সুনামগঞ্জ–৩ আসনের মানুষ আজ যে পরিবর্তনমুখী, সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব খুঁজছে—এডভোকেট ইয়াসিন খান সেই প্রত্যাশারই প্রতিচ্ছবি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তিনি এই অঞ্চলকে একটি উন্নত, মানবিক ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হবেন—এমন বিশ্বাস এখন অনেকেরই।