ইউরোভিশন ডেস্ক : হাওরবেষ্টিত জনপদ সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসন বরাবরই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জে জর্জরিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং হাওরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন—এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের মানুষ একজন দূরদর্শী, সৎ ও সাহসী নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে। সেই প্রত্যাশার আলো হয়ে সামনে এসেছেন এডভোকেট শিশির মনির।
এডভোকেট শিশির মনির একজন সুপ্রতিষ্ঠিত আইনজীবী, যিনি পেশাগত জীবনে সততা, দক্ষতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন ভূমিকা রেখে চলেছেন। সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার রক্ষা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান এবং মানবিক মূল্যবোধ—এই তিনটি গুণই তাকে দিরাই–শাল্লা এলাকার মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এডভোকেট শিশির মনিরের পদচারণা ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা থেকে নয়, বরং জনসেবার তাগিদ থেকেই। তিনি বিশ্বাস করেন, জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরা এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করা। হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষা বাঁধ, নদীভাঙন প্রতিরোধ, কৃষকের ন্যায্য অধিকার, যুব সমাজের কর্মসংস্থান এবং মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার—এসব বিষয় তার অগ্রাধিকার তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
দিরাই ও শাল্লার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ, মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা এবং সমস্যা শোনার আন্তরিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তিনি রাজনীতিকে দেখেন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে—যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতা অপরিহার্য।
সুনামগঞ্জ–২ আসনের মানুষ আজ যে মানবিক, প্রগতিশীল ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছে, এডভোকেট শিশির মনির সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন। জনগণের সমর্থন ও দোয়ায় তিনি দিরাই–শাল্লা অঞ্চলকে একটি উন্নত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হাওরাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন—এমন বিশ্বাস এখন অনেকেরই।